০২ — আবিদ শাহরিয়ার
একটি জীবন।
একটি কণ্ঠ।
একটি উত্তরাধিকার।
আবিদ শাহরিয়ার গান শিখেছিলেন শোনার মধ্য দিয়ে। বাড়ির উঠোন, স্কুলের মঞ্চ, শহরের ছোট অনুষ্ঠান—প্রতিটি জায়গা তাঁর কাছে ছিল অনুশীলনের ঘর। ২০০৫ সালে ক্লোজআপ ওয়ান তাঁকে দেশজুড়ে পরিচিত করে, কিন্তু তিনি জনপ্রিয়তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন গানের সততাকে।
-
শৈশব
গানের প্রথম শব্দ
বাড়ির উঠোনে হারমোনিয়াম, রেডিওতে ভেসে আসা সুর—আবিদের গান শোনা শুরু হয়েছিল শোনার আগে থেকেই।
-
কৈশোর
সংগীতযাত্রা
স্কুলের অনুষ্ঠান, পাড়ার মঞ্চ, বন্ধুদের সঙ্গে প্রথম দল। গান তখন শখ নয়, অভ্যাস।
“গান সত্যি না হলে মানুষ ধরে ফেলে। তাই আগে সত্যিটা খুঁজি।”
-
২০০৫
ক্লোজআপ ওয়ান
দেশজুড়ে পরিচিতি। একটি প্রতিযোগিতা নয়—একটি প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যাওয়ার দরজা।
-
পরবর্তী বছর
সংগীত ও সৃজনকর্ম
স্টেজ, স্টুডিও, নতুন শিল্পীদের সঙ্গে কাজ। আবিদ কেবল গাইতেন না—তিনি গান তৈরি করতেন, শেখাতেন, উৎসাহ দিতেন।
“গান সত্যি না হলে মানুষ ধরে ফেলে। তাই আগে সত্যিটা খুঁজি।”
-
উত্তরাধিকার
যা রয়ে গেছে
যাঁদের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন, তাঁদের কণ্ঠে আজও তাঁর ভাবনা শোনা যায়। সেই ধারাবাহিকতা থেকেই এই কেন্দ্র।